পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে বাবাকে জানানো হলো ‘আপনার মেয়ে কলাক্ষেতে আছে’

দেশজুড়ে

অনলাইন: নরসিংদীর শিবপুরে বেসরকারি হাসপাতালের এক নার্সকে গণধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের ঘটনায় মনির ভূঞা (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গেলো মঙ্গলবার এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার রাতে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মনির ও তার সহযোগী হারুন ভুঞা (২০) এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনের বিরুদ্ধে শিবপুর মডেল থানায় মামলা করেন।

পুলিশের দেয়া তথ্য ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিবপুরের মজলিশপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ছোট বোন সমস্যায় পড়েছেন জানিয়ে দ্রুত যাওয়ার জন্য ওই নার্সকে ফোনে খবর দেয় অভিযুক্ত হারুন। ছোট বোনের সমস্যার কথা শুনে বোনকে ফোনে না পেয়ে রাতে নরসিংদী থেকে একাই শিবপুরে যান ওই নার্স। এ সময় মজলিশপুর এলাকায় পৌঁছালে পাশের একটি কলাক্ষেতে নিয়ে যায় মনির ও তার সহযোগী হারুন। এসময় মনির, হারুন এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজন তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়।

এ ঘটনার অভিযুক্তরা হলো, উপজেলার মজলিশপুর এলাকার তারা ভূইয়ার ছেলে হারুন ভূইয়া (২০), একই এলাকার মতিন কমান্ডারের ছেলে মনির ভূইয়া (২০) ও অজ্ঞাতনামা দুজন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেয়ের বাবা বলেন, ধর্ষণের পর হারুন এবং মনিরই আমাদের বাড়িতে ফোন করে কলাক্ষেতে আমার মেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকার খবর দেয়। তারপর আমরা গিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করি।

শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মামলার পর মনির নামে একজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযুক্ত বাকি তিনজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *