৭৬তম জন্মদিন ১৫ আগস্ট কেক কাটা হবে না, খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মিলাদ

বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৭৬তম জন্মদিন ১৫ আগস্ট শনিবার। খালেদা জিয়ার এই জন্মদিনে এবার কেক কাটার কোনো কর্মসূচি নেই।

এই দিন দলীয়ভাবে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করার জন্য দলের সব পর্যায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিএনপি।

১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন জাকজমকভাবে কেক কেটে খালেদা জিয়ার যে জন্মদিন বিএনপি পালন করে তা নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা হয়। এ নিয়ে মামলা পর্যন্ত হয় আদালতে। এরপর ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট বন্যা ও গুম, খুনের কারণ দেখিয়ে কেক কাটার কর্মসূচি বাতিল করে বিএনপি। এরপর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুর্নীতির মামলা সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ৭৪তম জন্মদিনে তিনি ছিলেন নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। সর্বশেষ ৭৫তম জন্মদিনের কারাবন্দি অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ)। এরপর গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

বতর্মানে গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজায় অবস্থান করছেন। ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট ৫০ পাউন্ডের কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রথম প্রহরে তিনি কেক না কাটলেও সন্ধ্যার পরে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেন।

বৃহস্পতিবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আরোগ্য ও র্দীঘায়ু কামনা, দেশবাসি ও দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা করোনাসহ অন্যান্য রোগে মৃত্যুবরণ করছেনে তাদের আত্মার মাগফরোত কামনা ও অসুস্থদের আশু সুস্থতা কামনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ বানভাসী মানুষদের দুর্দশার হাত থেকে রেহাই পেতে আগামী ১৫ আগস্ট শনিবার জাতীয়তাবাদী দলের উদ্যোগে দেশব্যাপী দোয়া ও মলিাদ মাহফিলের আয়োজন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। 

১৯৪৫ সালে খালেদা জিয়ার জন্ম হলেও তার জন্মতারিখ নিয়ে বিতর্ক আছে। খালেদা জিয়ার বাবা এস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনী হলেও তিনি দিনাজপুরে বসবাস করতেন। খালেদা জিয়ার জন্মও সেখানে। তার মায়ের নাম তৈয়বা মজুমদার। ১৯৬০ সালের আগস্ট মাসে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

ইন্টারনেটে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বাংলাপিডিয়াসহ খালেদা জিয়ার জীবনীর ওপর রচিত কয়েকটি বইয়ে তার জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট উল্লেখ আছে। তবে সমালোচকদের দাবি, একেক জায়গায় খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে একেক রকমের তথ্য আছে। তার পাসপোর্টে এক ধরনের তথ্য, আবার পরীক্ষার সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য জরুরি ডকুমেন্টে তথ্যের ভিন্নতা পাওয়া গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *